home top banner

Tag pregnancy step

গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের যত্ন

কথায় বলে ‘শিশুর হাসিতে মায়ের খুশি’ আর এই হাসি দেখতে হলে মাকে গর্ভকাল থেকেই থাকতে হবে হাসিখুশি ও দুশ্চিন্তামুক্ত। গর্ভবতী মাকে নিয়মিত ঘুম ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। সর্বোপরি সুস্থ শিশুলাভের জন্য গর্ভবতী মায়ের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ ও স্বাস্থ্য পরিচর্যা প্রয়োজন। পরিবারের সবারই গর্ভবতী মাকে এ ব্যাপারে সাহায্য ও সহযোগিতা করা উচিত। গর্ভবতী মায়ের নিজের প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়ার পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশুর জন্য বাড়তি খাদ্যের প্রয়োজন হয়। তাই গর্ভবতী মা ও তার অনাগত...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   817
See details.
প্রশ্ন: গর্ভাবস্থায় এক্স-রে করা নিষেধ কেন?

উত্তর: বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে যখন গর্ভস্থ ভ্রূণের কোষ বিভাজিত হতে থাকে ও নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ তৈরি হতে থাকে, তখন এক্স-রে সহ যেকোনো ধরনের তেজস্ক্রিয়া ব্যবহার করা নিষেধ। কেননা তেজস্ক্রিয় পদার্থ কোষ বিভাজনকে অস্বাভাবিক করে বিকলাঙ্গতা করতে পারে। তাই যে কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি ব্যবহার  থেকে বিরত  থাকবেন।  তবে কিছুক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তা করা  যেতে  পারে। সূত্র - প্রথম আলো

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   327
See details.
প্রশ্ন: গর্ভাবস্থার শেষ দিকে হাঁটা হাঁটি করলে স্বাভাবিক সন্তান প্রসব সহজ হয় — এ কথা কি ঠিক?

উত্তর: প্রসব স্বাভাবিক হবে, না অস্ত্রোপচার লাগবে, তা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। যেমন: মায়ের শ্রোণি চক্রের আকার ও আয়তনের সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর আকারের সামঞ্জস্য, মায়ের উচ্চ রক্তচাপ প্রি-একলাম্পসিয়া বা অন্যান্য শারীরিক জটিলতা, জরায়ুতে শিশু সঠিক অবস্থানে আছে কি না ইত্যাদি। তবে গর্ভাবস্থার শেষ দিকে এমন কি মায়ের প্রসব বেদনা ওঠার পরও খানিকটা হাঁটা হাঁটি করতে বলা হয় নানা কারণে। এতে শ্রোণিচক্র ও কোমরের হাড়, পেশি ও লিগামেন্টের নমনীয়তা বাড়ে, শিথিল হয়, শিশুর নিচে নেমে আসা এবং অনেক সময় গর্ভে শিশু ঘুরে...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   469
See details.
গর্ভাবস্থায় মাইগ্রেন

নারীর মাইগ্রেন বেশি হয়। মাসিকের আগে-পরে হরমোনের ওঠানামা, জন্মবিরতিকরণ বড়ি, কিছু বিশেষ খাবার-দাবার যেমন চকোলেট, পনির ইত্যাদি নারীদের মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে গর্ভধারণকালে এই নারীদের মাইগ্রেনের প্রকোপ অনেকটাই কমে আসে। তার পরও যদি গর্ভাবস্থায় মাইগ্রেনে আক্রান্ত হয় তবে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। কেননা এই সময় অনেক ওষুধ চাইলেও সেবন করাযাবে না। রক্তে শর্করা স্বল্পতা ও পানিশূন্যতা মাথা ব্যথার পরিমাণ বাড়াবে।তাই এ সময় ঘন ঘন কম...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   220
See details.
প্রসূতি মায়ের বুক জ্বালাপোড়া

গর্ভাবস্থায় ১৭ থেকে ৪৫ শতাংশ নারী বুক জ্বালাপোড়ারসমস্যায় আক্রান্ত হন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম সন্তান জন্মের সময় এইসমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, আর গর্ভকালীন সময়ের প্রথম ও শেষ তিন মাসেথাকে সবচেয়ে প্রকট। গর্ভাবস্থায় রক্তে প্রচুর প্রোজেস্টেরন হরমোনপরিপাকতন্ত্রের পেশির চলন ধীর করে দেয়, একই সঙ্গে খাদ্যনালির ভাল্বনমনীয়তাকেও বিনষ্ট করে। ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড ওপর দিকে এসে খাদ্যনালিতেঢুকে পড়ে এবং বুক জ্বলে। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে এই সমস্যা থেকে কিছুটা রেহাইমেলে। ভাজাপোড়া ও...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   190
See details.
হবু মায়েদের যত্ন

গর্ভের শিশুর শারীরিক ও মানসিক পরিপূর্ণ বিকাশের পূর্বশর্ত হচ্ছে মায়ের সুস্থতা সুনিশ্চিতকরণ। এ জন্য একজন নারীকে নিজেই যেমন হতে হয় স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন, তেমিন গর্ভবতী মায়েদের প্রতি যত্নশীল হতে হয় পরিবারের সবার। গর্ভবতী মায়ের পরিচর্যা 'গর্ভস্থ সন্তান ও মা' উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৯ সালের হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে বছরে প্রায় ২৮০০০ মহিলা গর্ভসঞ্চার জনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। পাশাপাশি নবজাতক মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ৮৩ জন। মা ও শিশুর এ অকাল মৃত্যুর অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য। কিন্তু এ...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   454
See details.
গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে কি ইনসুলিন ছাড়া আর কোনো ওষুধ ব্যবহার করা নিরাপদ?

গর্ভস্থ শিশুর জন্য বেশির ভাগ ওষুধই অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ। কেবল ইনসুলিনই প্রায় সম্পূর্ণ নিরাপদ হিসেবে প্রমাণিত। তাই অকারণে ঝুঁকি না নেওয়াই ভালো।   সূত্র - প্রথম আলো

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   174
See details.
গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি: সতর্কতা জরুরি

গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহ পর যদি কোনো নারীর রক্তচাপ ১৪০/৯০ বা তার বেশি হয় এবং প্রস্রাবের সঙ্গে আমিষ নির্গত হয়, তবে তাকে প্রি-এক্লাম্পসিয়া বলে। পরে সমস্যাটি গর্ভাবস্থার খিঁচুনি হিসেবেও দেখা দিতে পারে।সমস্যাটি মৃদু বা প্রকট দুই ধরনেরই হতে পারে। রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০-এর বেশি কিন্তু ১৬০/১১০-এর কম হয়, তবে সমস্যাটি মৃদু।আর সিস্টোলিক প্রেশার (রক্তের সংকোচন চাপ) যখন ১৬০ বা তার বেশি, ডায়াস্টোলিক (প্রসারণ চাপ) প্রেশার ১১০-এর বেশি হলে সমস্যাটি প্রকট হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। কাদের ঝুঁকি বেশি সাধারণত ২০...

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   258
See details.
গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কি সন্তান প্রসবের পর ভালো হয়ে যায়?

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সাধারণত ২৪ সপ্তাহের পর হয়ে থাকে। এর আগেই যাঁদেররক্তে শর্করা বেড়ে যায়, তাঁরা সম্ভবত গর্ভধারণের আগে থেকেই ডায়াবেটিসেভুগছিলেন, যা তাঁরা টের পাননি। এই নারীদের সন্তান প্রসবের পরও ডায়াবেটিসথেকে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি। তবে আগে ছিল না, কিন্তু গর্ভকালেই ডায়াবেটিসহয়েছে এমন নারীদের বেশির ভাগেরই সন্তান প্রসবের পর রক্তে শর্করা স্বাভাবিকহয়ে যায়। নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রসবের ছয় সপ্তাহ পর আরেকবার পরীক্ষাকরে নিতে হবে। সূত্র - প্রথম আলো

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   184
See details.
গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া কীভাবে লক্ষ রাখবেন?

গর্ভধারণের পাঁচ মাস পর থেকে সাধারণত একজন মা গর্ভস্থ শিশুর নড়াচড়া খেয়াল করতে পারেন। তবে ৩০ সপ্তাহের পর থেকে নিবিড়ভাবে এই নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়। এ জন্য মা সারা দিন কাজের মধ্যেই এবং দুপুর বেলা ডান কাতে শুয়ে নড়াচড়া গুনবেন। দিনে ১০ বারের বেশি নড়াচড়া বুঝতে পারলে মোটামুটি নিশ্চিন্ত হওয়া যায়। তবে দু-এক ঘণ্টার মধ্যেই শিশু ১০ থেকে ২০ বার নড়লে আর গোনার দরকার নেই। সূত্র - প্রথম আলো

Posted Under :  Health Tips
  Viewed#:   335
See details.
Page 3 of 3
1 2 3 next
healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')